শ্যামনগরে লবণ পানির চিংড়ি চাষ উপকূলের মাটি করেছে বসর্বনাশ।
পীযূষ বাউলিয়া পিন্টু সাতক্ষীরা (শ্যামনগর) প্রতিনিধিঃ উপকূল জনপদের দীর্ঘদিন থেকে কৃষি জমিতে লবণ পানির চিংড়ি চাষ করার কারণে কৃষি ক্ষেত্র সহ কৃষিনির্ভর কর্মসংস্থান ক্ষেত্রে, কৃষি শ্রমিক বেকার হয়েছে পড়েছে। বিকল্প কর্মসংস্থানের জন্য শ্যামনগর জনপদ উপকূল থেকে পরিবারের একমাত্র উপার্জন ক্ষম ব্যক্তি কর্মসংস্থানের জন্য বাইরে চলে যাওয়ার কারণে নারীরা বাজারমুখী হয়ে যাচ্ছে। শ্যামনগরের কর্মসংস্থানের অভাবে ইটভাটাতে যাওয়া পরিবারের নারীরা এখন উপজেলায় বিভিন্ন বাজারে লক্ষ্য করা যাচ্ছে। উপকূলের কৃষি নির্ভর পরিবার গুলি কর্মসংস্থান বিমুখ হওয়ার কারণে সুন্দরবন নির্ভরশীল হওয়া, শহরের রিকশা চালানো, ইটভাটাতে চলে যেতে যাচ্ছে। আশির দশকে উপকূলীয় এলাকায় কৃষি জমিতে লবন পানির চিংড়ি চাষের ফলে কৃষি শ্রমিকরা বেকার হয়ে পড়েছে, ফলে শ্যামনগর আশাশুনি ও কয়রা থেকে প্রায় ৪০ শতাংশ উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শ্রমজীবী মানুষ বিভিন্ন সময় কর্মসংস্থানের জন্য খাদ্য সংকটে অভাব পূরণে বাইরে কাজ করতে যেতে হচ্ছে। বছরের অক্টোবর থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে উপকূল জনপদ শ্যামনগরের বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে সিজেনারি মাইগ্রেশন করে ইটভাটাতে বড় সংখ্যক শ্রমজীবী মানুষ চলে যায়। তিন মাস অথবা ৬ মাস ইটভাটাতে কাজ করে আবার ঘরে ফিরে আসে। এ সকল পরিবারের নারীরা পরিবারের একমাত্র উপার্জন ক্ষম ব্যক্তি বাড়িতে না থাকায় সেই সকল পরিবারের নারীরা স্থানীয় বাজারে পারিবারিক বাজার করতে দেখা যাচ্ছে।

